আমি তিশা। প্রাইভেট কোম্পানিতে জব করি। আমার বিয়ে হয়েছে দু'বছর হলো। আমি আর আমার হাসব্যন্ড – আমরা ঢাকাতেই থাকি। স্বামী একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। আমার বয়স ২৭. আমার পরিবার খুব ফ্রেন্ডলি ও আধুনিক মনোভাবসম্পন্ন। যার জন্য আমাকে বাংলাদেশের ৮০% মেয়েদের মতো অল্প বয়সেই বিয়ে করার জন্য চাপ সহ্য করতে হয়নি। আমার পরিবারের ইচ্ছা ছিলো আমি পড়ালেখা শেষ করবো, তাই তারা আমাকে বিয়ের জন্য জোর দেয়নি। পড়ালেখা শেষ করে আমি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরির জন্য আবেদন করি, চাকরির পদ ছিলো বসের পিএস হওয়া। আমার ২৭ বছর বয়সী কামুকী আকৃতি দেখে বস খুব সম্ভবত লোভ সামলাতে পারেনি, এদিকে পড়ালেখার ভালো ফলাফল করার কথা ছেড়েই দিলাম! আমরা বাচ্চাকাচ্চা নেয়ার প্ল্যান এখনো করিনি। কেননা আমরা ঠিক করেছি, অর্থ-সম্পত্তি গুছিয়ে সবকিছু ঠিক করে তারপর পরিবার পরিকল্পনা করবো। আমি ছোটবেলা থেকেই আধুনিক মানসিকতা সম্পন্ন হলেও এই না, যে আমি ধর্ম মানিনা। সকলের প্রতিই আমার শ্রদ্ধাভক্তি ছিলো। কখনো কোনো পাপবোধ মনের মধ্যে কাজ করতো না। তবে এও না যে আমি ধোয়া তুলসি পাতা। কলেজ ও ভার্সিটি লাইফে অনেক ছেলের সাথেই আমার অন্তরঙ্গতা ছিলো। যদিও আমার স্বামী ব্যতীত কখনো কারো...
বিয়ে বিষয়টা খুবই অদ্ভুত আর আমি সেই অদ্ভুতের সাক্ষী উর্মি। আমি উর্মি, নম্র ও ভদ্র প্রকৃতির। পড়ালেখা ভালোই। বন্ধু মহলে আমরা চারজন বেস্টি। আমি উর্মি, আমার কাজিন রিয়া, নোহা আর অনামিকা। উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আজও কানায় কানায় ভর্তি আমাদের বন্ধুত্ব। করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার এক মাস আগেই আমার বিয়ে হলো। কার সাথে সেটা খুবই মজার। আমার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন ক্লাসমেট। নাম তার তপু। গত ২০০৭ সালে ওকে শেষ দেখেছিলাম তাকে যখন আমাদের ক্লাস ফাইভের বোর্ড পরীক্ষা শেষ হল। তারপর ওকে মনে রাখার দরকারও পড়েনি। আমার বিয়ের কথা তখনও আমার পরিবারে তেমন একটা উঠতো না। পড়ালেখা শেষ করে চাকরির আগের সময়। তবে সেদিন হুট করে একটা বিয়ের প্রস্তাব এলো শুনলাম। আমি না করলাম, কিন্তু ভাইয়া উৎসাহী এবার। তাই ভাইয়াকে খুশি করার জন্য কোনো ইচ্ছে ছাড়াই শুধু ভাইয়াকে খুশি করতে পৌঁছালাম ডিনার করতে। তাছাড়া ভাইয়ার সাথে শপিং মলে ঘুরবো খুবই মজা হবে। আমি নিজের বড়াই করছি না। কিন্তু আমার মেকাপ একেবারেই পছন্দ না। তাছাড়া আমার মুখে কোনো পিম্পল উঠে না তাই দরকারও হয়না। রেস্টুরেন্টে যাওয়ার পর আম...