সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

দি-র সাথে লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দিদি আর আমি

 আমার মামাতো ভাই দিদির। সে বিবাহিত. আমি যখন তার বাড়িতে থাকতে যাই, দিদি আমাকে ওয়াটার পার্কে নিয়ে গেল। সেখানে জেনে বুঝেই আমি দিদির গায়ে ছোঁয়া লাগলাম। আমি একটি সাধারণ পরিবারের ছেলে, আমার বয়স 20 বছর। আমি বাইরে একটা ঘর নিয়ে পড়াশোনা করতাম। এই ঘটনাটি আমার 2 বছর আগে ঘটেছিল। ঘটনাটি সেই সময় থেকেই যখন আমি কলেজে প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলাম। তখন যৌবনের উত্সাহ চূড়ায় ছিল … এখনও আছে। আমার এক কাজিন বোন, সে দেখতে খুব সেক্সি লাগছে। তাঁর বয়স প্রায় 32 বছর বয়স। দিদি মাপের দিক থেকে ছোট ছিল, তবে আমি তার ফর্সা শরীর সম্পর্কে পাগল ছিলাম। তার স্তনবৃন্তগুলি এমন ছিল যে আমি এটি এখনই বাইরে নিয়ে চুষতে চাই। তবে আমি তা করতে পারিনি। আমি যখন তার উঠানে স্নান করছিলাম তখন আমি তার স্তনবৃন্তগুলিকে একবার নগ্ন দেখতে পাবার সুযোগ পেয়েছিলাম এবং আমি ঘটনাক্রমে উঠোনে পৌঁছেছিলাম। সেখানে আমি তার বড় এবং গোল চাটাকে দেখেছি এবং আমি সম্পূর্ণ নেশা হয়ে গিয়েছিলাম। দিদির স্তনবৃন্তগুলি কালো এবং কান্ডগুলি কালো আঙ্গুর মতো ছিল। দিদির আওলা গোল হয়ে গেল কিছুটা বেশি। তখন থেকেই আমার মন তাদের স্তনের বোঁটা চুষতে শুরু করে। গ্রীষ্মের ছুট...

দিদির বদনাম ঘোঁচানো

ঘুম থেকে উঠে মায়ের কাছে শুনলাম দোয়েলদি আসবে. দোয়েলদি আমার মাসির মেয়ে. আমার থেকে তিন বছরর বড়. সদ্য বিয়ে হয়েছে. যাই হোক শুনে মনটা ভালো হয়ে গেল. ও এলো. দুদিন থাকলো. কথায় কথায় মাসির ছোট্ট মেয়ে মানে আমার ছোড়দির কথা উঠলো. ও নার্সের চাকরী করতো বহরমপুরে পোস্টিংগ. অনেকদিন ওর সাথে কথা হয়নি. দোয়েলদির কাছে ফোন নম্বরটা নিলাম. ফোন করলাম কিন্তু পরিচয় দিলাম না. দেখলাম বেশ প্রোভোকেটিভ কথা বার্তা. শুনে ভালই লাগলো. তারপর পরিচয় দিলাম. গার্ল ফ্রেন্ড শুন্য জীবনে তবু তো একজনের সাথে কথা তো বলা যাবে. হোক না দিদি. কথায় তো বলবো. এভাবে কথা চলতে লাগলো. সাম্মার ভেকেশনে মাসির বাড়ি গেলাম. দুদিন পর দিদিভাই আসল. ২-৩ দিন সবাই মিলে খুব মস্তি করলাম. তারপর ওর ছুটি শেষ হয়ে গেল. আমারও স্কূল খোলার টাইম হয়ে আসল. মাসি বলল ‘ও তো প্রতিবার একায় যাই. যা এবারে তুই দিয়ে আয়. তারপর এসে স্কূলে জয়েন করিস.’ সুন্দরী দিদির সঙ্গ পাবার আসাই প্রস্তাবটা লুফে নিলাম. শিলিগুড়ি থেকে রাতের বাসে টিকিট কাটলাম. দুজনে জার্নী করে যথা রীতি হাজির হলাম বহরমপুরে. পরদিন ও ড্যূটী জয়েন করলো. আমিও সাথে গিয়েছিলাম. এমনিতেই দিদিভাই সুন্দরী. তার ওপর ওদের...

কনডম নাই যে

আমার নাম শুভদীপ রায়। বয়স ২৪ বছর। সল্টলেকে একটা MNC তে সফটওয়ার এঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আজ আমি আপনাদের কাছে আমার পুরোনো দিনের কিছু কথা share করবো। আমার বাড়ী পশ্চীমবংগের একটা ছোট্টোগ্রামে। খুব পুরোনো না, একটা সদ্য গড়ে ওঠা গ্রাম। পাড়াতে আমাদের এবং আরো চারটি পরিবার ছাড়া সবাই ছিল খুবই নিম্নবিত্ত পরিবার। আমাদের পাশের বাড়িটা ছিল প্রমাদি র বাড়ি। প্রমা আর নিধি ছিল দুই বোন। নিধি আমার সাথে Class 11 এ পড়তো। আর প্রমাদি BA পড়ছে। প্রমাদির চেহারা খুব একটা আকর্ষনীয় ছিল না। তবে শ্যামলা রঙ, টিকোলো নাক, তন্বী figure নিয়ে মন্দ ছিল না। কিন্তু আমার আকর্ষন ছিল নিধি র উপর। গায়ের রঙ খুব ফরসা ছিল না। মুখ খানা খুব সুন্দর। স্লিম figure । ছোট্টো বুক।আর সবচেয়ে সুন্দর ছিল ওর পাছাটা। একদম ভরাট। বিশেষ করে যখন ও পাছা দুলিয়ে হেটে যেত, তখন একবার হাত বুলিয়ে দেওয়ার ইচ্ছেটা অনেক কষ্টে চেপে রাখতে হোতো। তখন সময়টা ছিল শীতের শুরু। এক দুপুর বেলা নিধির মা আর আমার মা আরো দুই পরিবার এর কাকিমারা একসাথে কলাই এর বড়ি দিতে খুব ব্যস্ত, আমার আরেক পাশের বাড়ীর কাকিমার ছাদেতে। আর আমি উঠোনে বসে রোদে দেওয়া কলাই পাহারা দ...