সৌমিত্রকে অনেক দিন ধরেই কোথাও একটা বেড়াতে যাওয়ার কথা বলেছিল কণিকা। কণিকারও স্কুলে একসপ্তাহ ছুটি। শেষপর্যন্ত সৌমিত্রই বলল তবে খুব কাছাকাছি হলে দীঘাই ভালো। দুতিনটে দিন ঘুরে আসা যাবে। কণিকা বলল-দীঘা! ধ্যাৎ ওখানে নয়।অন্য কোথাও। সৌমিত্র একটু খানি ভেবে বলে-তবে চলো তরাই-ডুয়ার্স।আমি নিজেই ড্রাইভ করবো। কণিকা বলে- রনিটাকে হোস্টেল থেকে নিয়ে চলে আনতে পারবো না বোধ হয়। ওদের যে এই সময় এক্সাম। সৌমিত্র কণিকার দিকে তাকিয়ে হেসে বলে-মিসেস গাঙ্গুলি সব সময় সংসার-সন্তান নিয়ে ভাবলে চলবে? একটু এডভেঞ্চারে দুজন ঘুরে আসি চলো না। রনি হল সৌমিত্র ও কণিকার একমাত্র ছেলে।সৌমিত্রের পৈত্রিক ব্যবসা।নিজে কমার্সে মাস্টার্স করে এখন ব্যবসা দেখাশোনা করে।কণিকা একটা বেসরকারী স্কুলের ভূগোলের শিক্ষিকা।রনির জন্মের পর একাকীত্ব ঘোচাতে কণিকার এই চাকরিটা সৌমিত্রই ঠিক করে দিয়েছে।নাহলে আর্থিক স্বচ্ছল এই পরিবারে কণিকার চাকরির কোনো প্রয়োজন ছিল না।নাই নাই করে প্রায় দশ বছর এই চাকরিটা করছে কণিকা।সৌমিত্র এখন ৪০,কণিকার বয়স ৩৫।ছেলের পড়াশোনার জন্য মিশন স্কুলের হোস্টেলে দিয়েছে। যাদবপুরে একটা সুন্দর সাজানো গোছানো ফ্ল্যাটে কেবল এই দুটি প্রাণের বাস।ক...
এখানের প্রতিটি গল্প কাল্পনিক, ফ্যান্টাসিমূলক এবং শুধুমাত্র ব্যক্তিগত আনন্দের জন্য দেয়া হয়েছে। ব্যবহারিক প্রয়োগ আপনার জীবন ধ্বংস করে দিতে পারে। আমরা আপনার গৃহীত পদক্ষেপের জন্য কোনভাবেই দায়ী থাকব না।