সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

স্বামীর ভুল - স্ত্রীর মাশুল

আমি জয়, বয়স ৩২। কম্পিউটার সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের নিজস্ব ব্যবসা। আমি বিবাহিত। স্ত্রী সুধা, ২৬ বছর, উচ্চতা ৫'৫"। ফর্সা ও সুন্দর মুখশ্রীর অধিকারী। যৌবনে ভরপুর সুডৌল স্বাস্থ্য। পাতলা গড়ন, সরু কোমর ৩০', স্তন ৩৪', ও ভরাট নিতম্ব ৩৬'। আমাদের ২০১৮-তে বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই আমার ব্যবসায়িক মন্দা শুরু হয়। ২০১৯-এ ব্যবসা চাঙ্গা করতে আমি এক স্থানীয় গুজরাটি মহাজন শম্ভুনাথের থেকে সুদে সাত লাখ টাকা ঋণ নেই। প্রায় ৮ মাস আমি সুদ সমেত ঋণের প্রায় দেড় লাখ টাকা ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিলাম। ২০২০ সনের লক ডাউনের ফলে ব্যবসা কার্যত বন্ধ হয়ে যায় এবং আমার পক্ষে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এদিকে শম্ভুনাথ বারবার আমাকে ঋণ পরিশোধর তাগিদ দিতে থাকে। শম্ভুনাথ প্রায় ৪৫ বছরের প্রতিপত্তিশালী মহাজন। শম্ভুর লোকবল ও অর্থবল ছাড়াও পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে রীতিমতো বন্ধুত্ব রয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী সবাই শম্ভুনাথকে এক মাফিয়া হিসেবে জানে। আমিও জানতাম, কিন্তু এতো বড় অঙ্কের ঋণ শম্ভুনাথ ছাড়া অন্য কোথাও পাবার উপায় ছিল না বলে আমি শম্ভুনাথের থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হয়েছি...

সময় কখনো আসে

অদিতি যেদিন কলেজে চাকরি পেল সেদিন ওর ভীষণ ইচ্ছে করছিল উড়তে। কিন্তু ওর ওড়া সহ্য হলনা ওর বাবা মায়ের। ওর বাবা অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় একজন সরকারি কর্মচারী, রাইটার্স বিল্ডিং এর একটি তলার বড়বাবু। ওর মা রাতুলা গৃহকর্ম নিপুণা এক ভদ্র মহিলা। রাতুলা ভীষণ সুন্দরী ছিলেন এক সময়, তা আজও সম্পূর্ণ বিলিন হয়ে যায়নি। মাত্র উনিশ বছর বয়েস এ ওর বাবা বিয়ে দেয় ওর তখন অদিতির বাবা সবে চাকরি পেয়েছে, ২৪ বছর বয়েস। ওরা দুজনেই গ্রামের মানুষ। গ্রামের জায়গা জমি বেচে কলকাতার উত্তর প্রান্তে একটি আবাস কেনে ওরা দুই কামরার। তখন অদিতি স্কুল এ পরে। অদিতি খুব ভাল ছিল পড়া শোনায়। কিন্তু তার থেকে বেশী ছিল ওর সৌন্দর্য ও লাবণ্য। বেশি দিন আটকে রাখতে চাইলনা বা পারলনা অরুন ও রাতুলা। কলেজ সার্ভিস দিল ২৫ বছর পার হতেই ; আর প্রথম বারই পেয়ে গেল কলকাতা থেকে বেশ দূরের একটি কলেজ এ। ওর বিষয় ছিল বাংলা। আর কয়েক মাস পর ই ওর সাথে বিয়ে শুভদীপ এর। শুভ খুব ভাল ছেলে, ওর বাবার এক বন্ধুর জানা চেনা। ছেলেটির বয়েস তখন ২৭, টি সি এস এ জয়েন করেছে। শুভ নিজেও বাবা মায়ের এক মাত্র ছেলে তবে শুভর মা নেই, বাবার কাছেই মানুষ। শুভর বাবা রাজীব, ডাক্তার, এম ডি, তবে খুব ...